1. admin@protidineralo.news : admin :
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিখোঁজের ৫ দিন পর ঝিনাইদহে পুকুর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা! করোনার রেড জোনে যশোর ও কুষ্টিয়া আর ‘ইয়েলো জোনে’ চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা রানার মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে চোখে গুল ও বালু ছিটিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮ শত টাকা ছিনতাইয়ে অভিযোগ এসএম কামাল হোসেনের সুস্থতা কামনায় নন্দীগ্রামে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে হিরোইনসহ শিক্ষক গ্রেপ্তার সুন্দরগঞ্জে ইট ভাটায় চলে যাচ্ছে আবাদি জমির উর্বর মাটি শৈলকুপা প্রেসক্লাবে ছোট ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন ঝিনাইদহে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবকদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

তাড়াশে কৃষকের ঘরে নতুন রসুন দাম নিয়ে হতাশ কৃষক

প্রশাসন
  • সময় : রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০২১
  • ১২২ বার পঠিত

তাড়াশ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ঘরে ঘরে নতুন রসুন তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। শস্য ভান্ডার খ্যাত চলনবিলাঞ্চলে শুরু হয়েছে বিনাচাষে লাগানো রসুন তোলার মৌসুম। চলতি মৌসুমে চলনবিলের তাড়াশ উপজেলায় রসুনের আবাদ হয়েছে ৫১৭ হেক্টর জমিতে। এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় রসুনের ফলন কম হওয়া ও দাম নিয়ে চরম চিন্তায় পরেছেন কৃষি পেশার জনগন। রসুনের বাজার বৃদ্ধি না পেলে লোকশানের মুখে পরতে হবে আবাদীদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে,চলনবিলের তাড়াশ উপজেলার চরকুশাবাড়ী,নাদোসৈয়দপুর,ধামাইচ,সবুজপাড়া,
চরহামকুরিয়া,বিন্নাবাড়ী,হামকুড়িয়া সহ বিভিন্ন মাঠে কৃষকেরা বিনাচাষে কাঁদা মাটিতে লাগানো রসুন তুলছেন। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও রসুন তোলা কাজে সহযোগীতা করছেন।

উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের চরহামকুরিয়া গ্রামের রসুন চাষী আব্দুল গনি (৫৫) বলেন, এবারে প্রতি বিঘা রসুন আবাদে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে কিন্তু ফলন হচ্ছে বিঘা প্রতি ১৮ থেকে ২০ মণ । বর্তমানে বাজার মূল্যে প্রতি মণ রসুনের মূল্য ১ হাজার টাকা থেকে ১৫শ টাকা হওয়ায় লোকসানে পরতে হবে আমাদের।

ওই একই গ্রামের রসুন চাষী রবিউল ইসলাম (৩৫) বলেন, জমিতে রসুনের গাছ ভাল দেখা গেলে ভেবেছিলাম ফলন এবার বাম্পার হবে। গত বছরেও বিঘা প্রতি ২৫ থেকে ৩০মন রসুন হতো কিন্তু এবার ফলন কম হচ্ছে। বাজারে রসুন বিক্রি করতে গেলে দামও পাচ্ছিনা। সরকারের কাছে আামাদের দাবী যেন রসুনের বাজার বৃদ্ধি করে দেয়। নইলে আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে ।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, আমরা রসুন লাগানো থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত কৃষকদের পাশে থেকে পরামর্শ দিয়েছি। এ বছর বৃষ্টি না হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এ বছর রসুনের ফলন কম হয়েছে।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, তাড়াশ উপজেলায় ৫১৭ হেক্টর জমিতে উৎপাদিত রসুন দেশের মানুষের অনেকটাই চাহিদা পুরন করবে। ফলন একটু কম হলেও যদি বাজারে রসুনের মুল্য বেশী থাকতো তাহলে আগামীতে এ রসুন চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়তো।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর