1. admin@protidineralo.news : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নন্দীগ্রাম পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৮লক্ষ টাকা ব্যয়ে পিট স্লাব বিতরন করলেন পৌর মেয়র নন্দীগ্রাম থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৩ শৈলকুপায় কোটিপতি স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির অভিযোগ ঝিনাইদহে গভীর রাতে শীতার্তদের মাঝে জেলা জজ’র কম্বল বিতরন র‌্যাব ৬’র অভিযানে শৈলকুপায় আলোচিত হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার শৈলকুপায় দুই আ’লীগ নেতা বহিস্কার কৃষিতে সম্ভাবনাময় গাইবান্ধার চরাঞ্চল    _______জেলা প্রশাসক- মো.অলিউর রহমান নন্দীগ্রামে কৃষি সেবা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে একজন আদনান বাবু কালীগঞ্জে পরাজিত মেম্বর প্রার্থীর লাশ উদ্ধার! সাময়িক বরখাস্তকৃত দুই ব্যাংক কর্মকর্তা ও এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ আদালতে মামলা

রাজারহাটে ২১৪ বছরের পাঠানহাট ঈদগাহ্ ময়দান এখনও দৃষ্টিনন্দন

প্রশাসন
  • সময় : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৪৬ বার পঠিত

এ.এস লিমন,রাজারহাট(কুড়িগ্রাম) থেকে :

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়নের সদাগড়পাড়া এলাকায় চাকিরপশার বিলের পূর্ব উত্তর কোণে আকর্ষণীয় মনকারা অবকাঠামো দৃষ্টিনন্দন আর অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে এই পাঠানহাট ঈদগাহ্ ময়দান। জনশ্রুতি আছে রাজারহাটের চাকিপশার বিলের এই ময়দানে প্রায় ২১৪ বছর আগে দেড় হাজার পাঠানেরা ওই স্থানটিতে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছিলেন। সেই থেকে এই ময়দানটির নামকরণ করা হয় পাঠানহাট ঈদগাহ্ মাঠ।
জানা যায়, বাংলা ১২১৩ বঙ্গাব্দ ১৮০৭ খ্রিঃ আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। মুঘল স¤্রাট আমলে রাজারহাট উপজেলার তৎকালীন ঘড়িয়ালডাঙ্গা’র জমিদার শরৎ চন্দ্র রায় চৌধুরী ৪ একর আয়তনের গো-চারণ ময়দানটি মুসলমানদের ধর্মীয় কাজে ব্যবহারের জন্য দান করে দেন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তা ধীরে ধীরে ওই ঈদগাহ ময়দানটির পূর্ণতা আসে। প্রতিবছর ঈদের দুটি জামাতে এই ঈদগাহ্ ময়দানটিতে সকাল থেকে সমবেত হতে থাকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। জামাতের নির্ধারিত সময়ের ঘন্টাখানিক পূর্বে কানায় কানায় ভরে যায় এ বিশাল ঈদগাহ ময়দানটি। ঐতিহ্যের টানে অধিক সওয়াব হাসিলের আশায় বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সমবেত হন। পাশাপাশি রংবেরংয়ের পোষাক পরে শিশু-কিশোররা ঈদের জামাতে আগত মুসল্লিদের সুন্নতি আতর বিতরণে ব্যস্ত থাকে। প্রতি ঈদের জামাতে রংবেরংয়ের শিশুদের খেলনা ও রকমারি খাবারের দোকানের পস্রা বসে। রাজারহাট উপজেলার ১৫টি জামে মসজিদ ভিত্তিক জামাত নিয়ে এ ঈদগাহ ময়দানটি গঠিত। সকাল থেকে জামাতে শরীক হওয়া মুসল্লিদের ইহকাল-পরকালের মুক্তির বয়ান করেন ইমাম সাহেব। অত্র ঈদগাহ জামাতের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো ঈদুল ফিতরে এক ইমাম এবং ঈদুল আযহায় আরেক ইমাম জামাত পরিচালনা করে থাকেন। ময়দানের পাশেই রয়েছে পাঠানহাট কবরস্থান, মৃত ব্যক্তির সৎকার করার জন্য মাঠ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত রয়েছে দক্ষ কর্মী।
এ বিষয়ে পাঠানহাট ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সাংবাদিক লুৎফর রহমান আঁশু বলেন, উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন ঈদগাহ মাঠ এটি। বর্তমান সরকারের আমলে সরকারের সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় ১৫ লাখ টাকার এবং স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আরো ৪ লাখ সহ মোট ১৯ লাখ টাকার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। উপজেলার বৃহৎ এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ বর্তমান চলমান রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর