1. admin@protidineralo.news : admin :
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
 যান্ত্রিক যুগে বিলুপ্ত গরুর হাল শৈত্য প্রবাহ আর কনকনে শীতে ঝিনাইদহের ফুটপাত মার্কেটে বাড়ছে ভিড় তাড়াশের ২টি ইউনিয়নে ৯জন চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত আসনে ৭৪ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ২৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ নন্দীগ্রামে দামরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে জিন্নাহর ফরম উত্তোলন সুন্দরগঞ্জে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে দুভোর্গে পথচারি কালীগঞ্জে ৭০ টি শিখন কেন্দ্রের উদ্বোধন ঝিনাইদহে ইউনিয়ন পর্যায়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা হরিণাকুন্ডে লক্ষাধিক টাকার চুরি যাওয়া সরকারী গাছ উদ্ধারে মামলা দায়ের

তাড়াশে অনাবৃষ্টি ও অতি গরমে লিচু নিয়ে চিন্তিত কৃষক

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ মে, ২০২১
  • ১২৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: 
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে লিচু নিয়ে চিন্তিত কৃষক। ইতি মধ্যেই রসালো ফল লিচু গাছ থেকে পেরে বিক্রি শুরু করছেন কৃষক। লিচুর আশানুরুপ দাম না পাওয়ায় লোকসানে পরতে পারে বাগান মালিকেরা। তেমনি একজন লিচু বাগান মালিক উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের নওখাদা গ্রামের লিয়াকত আলী মোল্লা। বুকভরা আশা নিয়ে তার ৫ বিঘা জমিতে চিনি চম্পা,চায়না থ্রি, মোজাফোর সহ বেশ কয়েক জাতের লিচুর চাষ করেছিলেন। লিচু গাছে ফুল ফোটার দিকে ভাল ফলন ও লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও এখন সে হতাশার মধ্যে আছেন। কারন এ বছর অনাবৃষ্টি ও অতি গরমে লিচু ফেটে যাওয়ার কারনে ফলন ভাল না হওয়ায় দাম পাচ্ছেন না ।

লিয়াকত আলী মোল্লার স্ত্রী বলেন, এবছর করোনার কারনে আমরা অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। তার পরও ভেবেছিলাম বাগান থেকে লিচুর ভাল ফলন পাবো। তা আর হলোনা রোদে পুরে লিচু ফেটে গেছে। লিচুর রঙ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের একমাত্র আয়ের উৎস থেকে যদি আয় করতে না পারি তাহলে আমাদের অনেক লোকসানে পরতে হবে। আমরা বাগান মালিকরা সরকারের সহযোগীতা কামনা করছি

লিয়াকত আলী মোল্লা বলেন,একযুগ আগে আমার বাবার হাতের তৈরি বাগানে এখন অনেক বড় বড় গাছ হলেও এ বছরে আগের মতো কোন ফলন পাচ্ছিনা। বৃষ্টি না হওয়ায় ও চরম গরমের কারনে গাছেই লিচু নষ্ট হয়ে গেছে । লিচুর গায়ের চামড়া ফেটে যাওয়ায় ও মাঝে মাঝে কাল দাগ হওয়ায় বেপারীরা অনীহা প্রকাশ করছেন। তিনি আরো বলেন,আমাদের পরিবারে ৩৩ বিঘা জমিতে এ বাগান করা আছে। যা আমাদের পরিবারের আয়ের উৎস। আমাদের লিচু বাগান দেখে এখন এলাকার অনেকেই বাগান করছেন। আগে তাড়াশ উপজেলাতে লিচুর বাগান করতে কৃষকদের তেমন কোন আগ্রহ দেখা না গেলেও বর্তমানে আগ্রহ বাড়ছে। তাই কৃষি বিভাগ যদি লিচু চাষে সার্বিক সহযোগীতা দিয়ে সহায়তা করে তাহলে এই উপজেলায় লিচু চাষে কৃষকদের অপার সম্ভাবনা হিসেবে দেখা যাবে।

এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, লিচুর পরাগায়নের সময় তাপমাত্রার তার তম্যের কারণে লিচুর ফলন কম হতে পারে। আমরা বাগান মালিকদের সব সময়ই ফল রক্ষায় বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। বাজারে লিচুর দাম একটু বেশী পেলে বাগান মালিকদের লিচু চাষে আগ্রহ বাড়তো।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর