1. admin@protidineralo.news : admin :
বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নন্দীগ্রামে পারিবারিক কলহে এক নারীর আত্মহত্যা গোবিন্দগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন হুমকির মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ,ব্রীজ ,রাস্তা ঘাট,আশ্রয়ণ প্রকল্প তাড়াশে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পানাসি)’র ঘুষ বাণিজ্য ও অনিয়মের অভিযোগ তাড়াশে খেটে খাওয়া মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য বিতরণ তাড়াশে মোটর সাইকেল আরোহী সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ঝিনাইদহের বাস টার্মিনালে ঢাকাগামী যাত্রীদের ভীড় কোটচাঁদপুরে মেহগনি গাছের ডালে আটকে থাকা যুবককে  উদ্ধার সীমান্ত থেকে ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ঝিনাইদহে ভ্রাম্যমান আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর কারাদন্ড ডিমলায় সেনাবাহিনী কর্তৃক মানবিক সহায়তা প্রদান 

কে পাওনাদার পলাশবাড়ীতে পৌর কাউন্সিলর মাসুদ করিমসহ ২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
  • ২২ বার পঠিত

আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা :

গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় গোপালপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন এর ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩৮) ও পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা গ্রামের আসাদ বেপারীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৯) গাজীপুরে তাদের দীর্ঘ সময়ে ২ জনের ব্যবসায়িক ভাবে গভীর সর্ম্পক সৃষ্টি হয় । একে অপর কে দিয়ে আজকে তারা স্বাবলম্বী হয়েছেন বলে স্থানীয় ভাবে জানা যায়। করোনা কালিন সময়ে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে দাদন ব্যবসায় আর এ দুই বন্ধু সাধারণ ব্যবসার মাঝে এ কারেন্ট দাদন ব্যবসা চালাতেন গাজীপুরের একটি অঞ্চলে। বর্তমান সময়ে এসব দাদন ব্যবসার মন্দা ও দেশব্যাপী চলমান দাদন ব্যবসা দমনে আইন শৃংখলা বাহিনীর অবস্থান পরিস্কার হওয়ায় এসব দাদন ব্যবসায় ভাটা পড়েছে। এ দুই বন্ধুর দাদন ব্যবসার মাঠে রাখা টাকা কোন লাভ বা মুল অর্থ করোনা কালিন সময়ে উদ্ধার না হওয়ায় ও দেশের পরিস্থিতি প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়া নিজ এলাকায় চলে আসে সাইফুল ইসলাম। এ দাদন ব্যবসায় আশরাফুল ইসলামের অংশের টাকা না পাওয়ায়  বন্ধুর মাঝে স¤র্পকের অবনতি ঘটে। এরপর আশরাফুল ইসলাম বিগত সময়ে দেনা পাওনা টাকার বদলে সাইফুল ইসলামের নিকট হতে স্থানীয় সাক্ষি মোকাবেলায় যে কোন ভাবে চলমান বছরের ফেব্রয়ারী মাসে টাকার বিপরিতে সময় নিয়ে রাখে চেক ও চুক্তিপত্রের স্ট্যাম্প। এরপর সেই স্ট্যাম্প ও চেক দেওয়ার শর্ত অনুযায়ী আবারো গাজীপুরে যায় সাইফুল ইসলাম সেখানে গিয়ে আবারো মাঠে থাকা দাদন ব্যবসার টাকা উত্তোলন শুরু করে এরপর সে প্রায় ১ লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা উত্তোলন করে আশরাফুল ইসলাম কে প্রদান করে এ টাকা দেওয়ার পরে সে স্ট্যাস্পে লিখে না রাখায় বা এই টাকা নিয়ে কোন ডুকুমেন্ট না দেওয়ায় ও করোনা কালে মাঠে থাকা দাদনের টাকার দিন কালেকশন না হওয়ায় সাইফুল ইসলাম আবারো চলে আসে নিজগ্রামে। এরপর আশরাফুল ইসলাম তাকে আবারো টাকা জন্য চাপ দিতে থাকে। সে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে কোন এক ব্যক্তির সহযোগীতায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে এরপর থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে কৌশলে আশরাফুল ইসলাম কে টাকা দেওয়ার কথা বলে  গাজীপুর থেকে নিয়ে আসা হয়। গত ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার পলাশবাড়ী চৌমাথাস্থ পৌর কাউন্সিলর মাসুদ করিমের ট্রাক টাংলড়ি মালিক সমিতির অফিসে  নিয়ে পরে কৌশলে পুলিশের সহায়তায় চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধার করে পুলিশের জিম্মায় নেওয়ায় হয়। সাইফুল ইসলামের অনুরোধে আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে না চাওয়ায় ততৎক্ষনাত তাকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও দায়বদ্ধ থাকবে বলে মুচলেকা দিয়ে থানা হতে তাহার আপন বড় ভাইয়ের জিম্মায় প্রদান করা হয় । এঘটনার ৫ দিন পরে পলাশবাড়ী থানায় ১৩ জুলাই মঙ্গলবার রাতে মূল ব্যক্তি সাইফুল ইসলাম ও পলাশবাড়ী পৌরসভার কাউন্সিলর মাসুদ করিম প্রধান এর বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন আশরাফুল ইসলাম।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী ১। মোঃ সাইফুল ইসলাম (৩৯), পিতা-মোঃ আসাদ ব্যাপারী (গরু ব্যবসায়ী), সাং- বেতকাপা, ২। মোঃ মাসুদ করিম (৫২), পিতা-মৃত গোফ্ফার প্রধান, সাং- জামালপুর, উভয়ের থানা- পলাশবাড়ী, জেলা- গাইবান্ধা। বিবাদীদ্বয়ের মধ্যে ১নং বিবাদীর সহিত আমার অনুমান ২০ বছর যাবৎ বিভিন্ন ব্যবসায় অংশিদারীত্বের মাধ্যমে ব্যবসা করিয়া আসিতে থাকাকালে ১নং বিবাদী কিছুদিন পূর্ব থেকে সিজেন্যাল ব্যবসা বাদ দিয়া অনুমান এক বছর যাবৎ গরু ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসিতেছে। ১নং বিবাদী গরু ব্যবসায় আমার সর্বমোট ১৩,৫০০,০০/- (তের লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা গত ঈদুল আযহায় গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময় হইতে ১নং বিবাদী আমার পাওনা টাকা আমাকে না দিয়া যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। আমি ১নং বিবাদীর উপরোক্ত ঠিকানার বাড়ীতে একাধিকবার ধর্না দিয়েও তার সহিত দেখা-সাক্ষাত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। এরই ধারাবাহিকতায় অনুমান ৪ (চার) মাস পূর্বে সাদুল্যাপুর থানাধীন বড় গোপালপুর নামক স্থানে জনৈক মোঃ আনারুল ইসলামের বসতবাড়ীতে শালিশের মাধ্যমে ১নং বিবাদীসহ তার পরিবারের লোকজন মোট টাকার মধ্যে হইতে ৮,০০,০০০/- (আট লক্ষ) টাকা মিটাইয়া নিয়া সোনালী ব্যাংক লিঃ, পলাশবাড়ী শাখার ৪টি চেকের পাতায় ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা করে মোট ৮,০০,০০০/- (আট লক্ষ) টাকা প্রদান করেন এবং ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা মূল্যমানের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ১নং বিবাদীসহ তার পিতা মোঃ আসাদ ব্যাপারী ৬নং বেতকাপা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ ফারুকুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের সামনে বিবাদী স্ট্যাম্পে সহি/স্বাক্ষর প্রদান করেন। এমতাবস্থায় গত ইং ০৭/০৭/২০২১ তারিখ দুপুর অনুমান ২.০০ ঘটিকার সময় ১নং বিবাদী মোবাইল ফোনে আমাকে পাওনা টাকা পরিশোধ করিয়া দিবেন মর্মে পলাশবাড়ী বন্দরে ডাকিলে আমি ১নং বিবাদীর স্বাক্ষরিত ৪টি চেকের পাতাসহ স্ট্যাম্প নিয়া পলাশবাড়ী বন্দরে আসিলে ১নং বিবাদী তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী ২নং বিবাদীর ট্রাকলড়ী মালিক সমিতির ঘরে নিয়া গেলে ২নং বিবাদী আমাকে হত্যার ভয় দেখাইয়া বলেন এই শালা এই মুহুর্তে ১নং বিবাদীর স্বাক্ষরিত চেকের পাতা ও স্ট্যাম্প দিয়া দেয়। আমি ঐ গুলো দিতে অসম্মতি জ্ঞাপন করিলে ২নং বিবাদী থানা পুলিশকে তার ঘরে ডাকিয়া নিয়া কু-পরামর্শ দিলে থানা পুলিশ মোঃ হুমায়ন কবির (এএসআই) আমাকে থানায় নিয়া গিয়া আমার কাছে থাকা ১নং বিবাদীর স্বাক্ষরিত ৪টি চেকের পাতা ও ষ্ট্যাম্প জোর পূর্বকভাবে কাড়িয়া নিয়া আমাকে ভয়ভীতি দেখাইয়া সাদা কাগজে সহি/স্বাক্ষর করিয়া নিয়া আমার বড় ভাই মোঃ জহুরুল ইসলামের কাছে আমাকে হেফাজতে দেন। আমি উপরোক্ত বিষয় নিয়া এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের সহিত আলোচনা করিয়া থানায় অভিযোগ করিতে বিলম্ব হইল।

এ অভিযোগ দায়ের পর আশরাফুল ইসলাম আজ ১৪ জুলাই বুধবার দুপুরে আবারো সাইফুল ইসলাম কে খুজতে বেতকাপা গ্রামের তার বসতবাড়ীতে যায় আশরাফুল ইসলাম ও তার ১০ হতে ১২ জন লোক তারা গিয়ে সাইফুল ইসলামের বাড়ীতে গিয়ে সাইফুল ইসলামের খোজ খবর করায় নিজেদের অনিরাপত্তাবোধ মনে করায় থানা পুলিশের সহায়তা কামনা করেন সাইফুল ইসলামের পরিবার। আশরাফুল ইসলাম ও তার বড় ভাইয়ের আচরণের কারণে সাইফুল ইসলামের পরিবার তারা আবার এ বিষয়টিকে অন্য ভাবে উপস্থাপন করে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক করে তুলে। এরপর গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সি-সার্কেল উদয় কমুার সাহার নেতৃত্বে পলাশবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ভারপ্রাপ্ত মতিউর রহমানসহ থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চলমান পরিস্থিতির বিষয়টি শোনেন। এপর সি সার্কেল উদয় কুমার সাহা তিনি আশরাফুল ইসলামের এহেন কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করেন এবং ভুক্তভোগীকে আইনের আশ্রয় গ্রহন করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এসময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরে থানা পুলিশ তদন্ত করবে। সেখানে অভিযোগকারী আশরাফুল ইসলাম লোকজন নিয়ে সাইফুল ইসলাম কে খোজবে তার বাড়ীতে লোকজন নিয়ে এসে সার্চ করবে এটা কেমন বিষয় হতে পারে। আমরা বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবার জানান, আশরাফুল ইসলামের সাথে তার কোন আর্থিক দেনা পাওনা নেই সে তাকে নিজেদের গড়া এনজিওর মাঠে থাকা টাকার আদায়ের জন্য জোড় পূর্বক স্ট্যাম্প ও চেক নেয়। এরপর এসব টাকা আদায়ে জিম্মি করে রাখার এক পর্যায়ে তার জিম্মির মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন সাইফুল ইসলাম।

পৌর কাউন্সিলর মাসুদ করিম প্রধান বলেন,আমার সাথে উক্ত ঘটনার কোন সম্পৃত্ততা নেই। আমার অফিসে এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ যদি দায়ের করে থাকে তবে তা মিথ্যা ।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আশরাফুল ইসলাম বলেন,আমাকে ট্রাক মালিক সমিতির অফিসে নিয়ে পৌর কাউন্সিলর মাসুদ করিম প্রধানসহ তার লোকজন ভয়ভীতি দেখিয়ে বসিয়ে রেখে কৌশলে পুলিশ ডেকে তাদের হাতে তুলে দেয়। দেনা পাওনা টাকার বিনিময়ে স্থানীয় লোকজন কে স্বাক্ষী রেখে আপোষ মিমাংসায় সমঝোতার মাধ্যমে টাকা পয়সার বিষয়টি সময় নিয়ে চেক ও স্ট্যাম্প প্রদান করেন অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম ও তার পরিবার। এঘটনার ৪ মাস পরে টাকা দেওয়া কথা বলে ডেকে এনে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং পুলিশ কে ভুল বুঝিয়ে আমার নিকট থাকা চেক ও স্ট্যাম্প পুলিশের হেফাজতে নিয়ে নেয় এবং আমাকে আমার বড় ভাইয়ের জিম্মায় প্রদান করে। আমার পাওনা টাকার একমাত্র ডুকুমেন্ট হাত ছাড়া হওয়ায় এবং আমার পাওনা টাকা এখনো না পাওয়ায় আমি ও আমার পরিবার দারুন হতাশায় রয়েছি। আমি ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

থানা অফিসার ইনচার্জ বলেন, একজন মানুষ যখন কারো নিকট নিজেকে জিম্মি মনে করে তখন সে তো আইনের আশ্রয় নিতে পারে । সাইফুল ইসলাম আইনের আশ্রয় গ্রহন করা তাকে পুলিশী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। কারো নিকট জোড় পূর্বক স্ট্যাম্প ও একাধিক চেক নিয়ে রাখা এটা তো অপরাধ। থানায় অভিযোগ করায় আমরা সাইফুল ইসলামকে আইনী সহায়তা দিয়েছি। চেক ও স্ট্যাম্প থানা হেফাজতে আছে।

চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধারকারী পুলিশ কর্মকর্তা হুমায়ূন জানান,মোবাইল ডিউটি পালন কালে উর্দ্ধোতন কমকর্তার নিকট দায়েরকৃত অভিযোগের ভিক্তিতে থানা নিয়ে স্ট্যাম্প ও চেক উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়। ঘটনার তদন্তের জন্য উভয়কে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এর আগে এবিষয়ে শোনার পর গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার উদয় সাহা জানান, অভিযোগের ভিক্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন আশ^াস প্রদান করেছিলেন।

উল্লেখ্য, উপরোক্ত বিষয়টি পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা গ্রামে ও সাদুল্লাপুর – পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা নামক স্থানে ব্যাপক ভাবে আলোচনা সমালোচনার মাঠ পেড়িয়ে এখন পলাশবাড়ী পৌর শহরে রয়েছে। তদন্তের আলোকে প্রকৃত অপরাধির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেন স্থানীয় সচেতন মহল।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর