1. admin@protidineralo.news : admin :
শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিখোঁজের ৫ দিন পর ঝিনাইদহে পুকুর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা! করোনার রেড জোনে যশোর ও কুষ্টিয়া আর ‘ইয়েলো জোনে’ চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা রানার মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগের প্রতিবাদে নন্দীগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন পলাশবাড়ীতে চোখে গুল ও বালু ছিটিয়ে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৮ শত টাকা ছিনতাইয়ে অভিযোগ এসএম কামাল হোসেনের সুস্থতা কামনায় নন্দীগ্রামে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে হিরোইনসহ শিক্ষক গ্রেপ্তার সুন্দরগঞ্জে ইট ভাটায় চলে যাচ্ছে আবাদি জমির উর্বর মাটি শৈলকুপা প্রেসক্লাবে ছোট ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন ঝিনাইদহে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবকদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত ৬

প্রশাসন
  • সময় : রবিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ইউনিয়নে নির্বাচনি সহিংসতায় একের পর এক নিহত হচ্ছে। নিহতের পরিবার গুলো কিভাবে সন্তানদের নিয়ে বেচে থাকবে তা হতাশায় পড়েছে। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের দলিলপুর মাঠে কল্লোল হোসেন (৩৫) নামের একজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষ অস্ত্রধারীরা। তিনি উপজেলার বগুড়া গ্রামের মৃত আকবর আলীর ছেলে। এর আগে সকালে আবদুর রহিম নামে আরেক ব্যক্তি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গত ২৩ ডিসেম্বর নির্বাচনী সহিংসতায় তিনি আহত হয়েছিলেন। শনিবার নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া অখিল সরকার ইটভাটায় কাজ করতেন। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার সারংটিয়া ইউনিয়নের ভোটার নন তিনি। থাকতেন আশ্রয় প্রকল্পের শ্বশুরবাড়িতে। নিজ বাড়ি ঢাকার ধামরাই উপজেলায়। হারান আলীও থাকতেন কাঁচেরকোল বাজারের পাশে একই আশ্রয় প্রকল্পের। তাঁরা আওয়ামী লীগের প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন। গত ৩১ ডিসেম্বর ইউনিয়নের কাতলাগাড়ি বাজারে নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় অখিল সরকার ও হারান আলী গুরুতর আহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পথেই হারান আলী মারা যান। তিনিও কৃষি শ্রমিক ছিলেন। আর অখিল সরকার ৫ জানুয়ারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সারুটিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত আরেকজন জসিম উদ্দিন। তিনিও দীর্ঘদিন ঢাকায় থাকতেন, ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে এসেছিলেন। প্রতিপক্ষের লোকজন ভেবেছিলেন, নির্বাচনে ভোট দিতে বাড়িতে এসেছে, তাই তাঁকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। তাঁর বাড়ি ভাটবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। নির্বাচনী সহিংসতায় মারা যাওয়া হারান আলীর স্ত্রী সুফিয়া বেগম জানান, তাঁর স্বামীও কোনো দিন রাজনীতি করেননি। রাজনীতি কী, তাও বুঝতেন না। শুধু নির্বাচনী প্রচার প্রচারনায় দেখতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁকে প্রতিপক্ষের লোকজন কুপিয়ে হত্যা করেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর